সুভা গল্পের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর এই পোস্ট থেকে পাওয়া যাবে, এখানে বাছাই করে মাত্র ৩০টি প্রশ্ন তোমাদের জন্য এখানে শেয়ার করেছি। সুভা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কালজয়ী ছোটগল্প। গল্পের প্রধান চরিত্র সুভা ছিল জন্ম থেকেই বাক্প্রতিবন্ধী। সে কথা বলতে পারত না, তাই শৈশবের সাধারণ আনন্দগুলো তার জীবনে ছিল না। তার দুটি বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেলেও, সুভা পরিবারের কাছে প্রায় একটি বোঝা স্বরূপ ছিল। বিশেষত তার মা তাকে নিজের গর্ভের কলঙ্ক মনে করতেন।
সুভা গল্পের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর
১. প্রতাপ সুভার মর্যাদা বুঝত কেন?
উত্তর: ছিপ ফেলে মাছ ধরার সময় বাকাহীন সঙ্গীই সর্বাপেক্ষা শ্রেষ্ঠ বলে প্রতাপ সুভার মর্যাদা বুঝত।
২. সুভা কার কাছে মুক্তির আনন্দ পায়?
উত্তর: সুভা বিপুল নির্বাক প্রকৃতির কাছে মুক্তির আনন্দ পায়।
৩. ‘সুভা’ গল্পে একমাত্র কে সুভার মর্যাদা বুঝত?
উত্তর: ‘সুভা’ গল্পে একমাত্র প্রতাপ সুভার মর্যাদা বুঝত।
৪. সুভার মা সুভার প্রতি বিরক্ত ছিলেন কেন?
উত্তর: জন্ম থেকে সুভা কথা বলতে পারত না বলে সুভার মা তাকে নিজের গর্ভের কলঙ্ক জ্ঞান করে তার প্রতি বিরক্ত ছিলেন।
৫. ‘কিশলয়’ অর্থ কী?
উত্তর: ‘কিশলয়’ অর্থ গাছের নতুন পাতা।
৬. সুভা দুই বাহুতে কাকে ধরে রাখতে চায়?
উত্তর: সুভা দুই বাহুতে প্রকাণ্ড মূক মানবতাকে ধরে রাখতে চায়।
৭. ‘সুভা’ গল্পে কাকে অকর্মণ্য বলা হয়েছে?
উত্তর: ‘সুভা’ গল্পে প্রতাপকে অকর্মণ্য বলা হয়েছে।
৮. সুভা জলকুমারী হলে কী করত?
উত্তর: সুভা জলকুমারী হলে আস্তে আস্তে জল থেকে উঠে সাপের মাথায় মণি ঘাটে রেখে যেত।
৯. প্রতাপের প্রধান শখ কী?
উত্তর: প্রতাপের প্রধান শখ ছিপ ফেলে মাছ ধরা।
১০. কারা প্রায়ই নিঃসম্পর্ক লোকদের প্রিয়পাত্র হয়?
উত্তর: নিতান্ত অকর্মণ্য লোকেরা প্রায়ই নিঃসম্পর্ক লোকদের প্রিয়পাত্র হয়।
১১. ‘শেষের কবিতা’ কোন ধরনের রচনা?
উত্তর: ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসজাতীয় রচনা।
১২. ‘শুক্লাদ্বাদশী’ মানে কী?
উত্তর: ‘শুক্লাদ্বাদশী’ মানে শুক্লপক্ষের চাঁদের বারোতম দিন।
১৩. গোসাইদের ছোট ছেলের নাম কী?
উত্তর: গোসাইদের ছোট ছেলের নাম প্রতাপ।
১৪. সুভা কখন নদীর তীরে লুটিয়ে পড়ল?
উত্তর: সুভা শুক্লাদ্বাদশীর রাতে নদীর তীরে লুটিয়ে পড়ল।
১৫. সুভার বাবার নাম কী?
উত্তর: সুভার বাবার নাম বাণীকণ্ঠ।
১৬. সুভাদের গ্রামের নাম কী?
উত্তর: সুভাদের গ্রামের নাম চণ্ডীপুর।
১৭. নদীটিকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়েছে?
উত্তর: নদীটিকে গৃহস্থঘরের মেয়ের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
১৮. সুভার বাবা তার নাম সুভাষিণী রাখেন কেন?
উত্তর: সুভার বাবা তার বড় দুই মেয়ের নামের সঙ্গে মিল রাখার অনুরোধে তার নাম সুভাষিণী রাখেন।
১৯. কোন গ্রন্থের জন্য রবীন্দ্রনাথ নোবেল পুরস্কার পান?
উত্তর: Gitanjali: Song Offerings সংকলনের জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার পান।
২০. সুভা সবসময় কোন চেষ্টা করত?
উত্তর: সুভা সবসময় নিজেকে সবার কাছ থেকে গোপন করার চেষ্টা করত।
২১. সুভা কোথায় বসে থাকত?
উত্তর: সুভা তেঁতুলতলায় ও নদীতীরে বসে থাকত।
২২. সুভার পুরো নাম কী?
উত্তর: সুভার পুরো নাম সুভাষিণী।
২৩. ‘সুভা’ কী জাতীয় রচনা?
উত্তর: ‘সুভা’ ছোটগল্প জাতীয় রচনা।
২৪. রবীন্দ্রনাথের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কী?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘বনফুল’।
২৫. রবীন্দ্রনাথ বাংলা কোন তারিখে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ২৫ বৈশাখে জন্মগ্রহণ করেন।
২৬. রবীন্দ্রনাথ ইংরেজি কত তারিখে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: ৭ই মে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
২৭. রবীন্দ্রনাথের পিতামহের নাম কী?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতামহের নাম প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
২৮. এশীয়দের মধ্যে প্রথম সাহিত্যে নোবেল পান কে?
উত্তর: এশীয়দের মধ্যে প্রথম সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
২৯. রবীন্দ্রনাথ কত সালে নোবেল পান?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
৩০. রবীন্দ্রনাথ বাংলা কত সনে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: তিনি বাংলা ১৩৪৮ সনে মৃত্যুবরণ করেন।
৩১. রবীন্দ্রনাথ কোন সালে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: তিনি ১৯৪১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
৩২. কোথায় মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: তিনি কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।
৩৩. সুভার ভাষাবিশিষ্ট জীব সঙ্গী কে?
উত্তর: সুভার ভাষাবিশিষ্ট জীব সঙ্গী প্রতাপ।
৩৪. বাণীকণ্ঠের আর্থিক অবস্থা কেমন ছিল?
উত্তর: বাণীকণ্ঠের আর্থিক অবস্থা ছিল সচ্ছল।
৩৫. ‘ঝিল্লিরব’ অর্থ কী?
উত্তর: ‘ঝিল্লিরব’ অর্থ ঝিঁঝিঁ পোকার শব্দে মুখর।
৩৬. সুভার বড় দুই বোনের নাম কী?
উত্তর: সুকেশিনী ও সুহাসিনী।
৩৭. সুভা কথা বলতে না পারলেও কী করতে পারত?
উত্তর: সুভা কথা বলতে না পারলেও অনুভব করতে পারত।
৩৮. সুভর মা তাকে কী মনে করতেন?
উত্তর: সুভার মা তাকে নিজের ত্রুটিস্বরূপ মনে করতেন।
৩৯. বাণীকণ্ঠ তিন মেয়ের মধ্যে কাকে বেশি ভালোবাসতেন?
উত্তর: বাণীকণ্ঠ সবার চেয়ে সুভাকেই বেশি ভালোবাসতেন।
৪০. সুভার ওষ্ঠাধর কিসের মতো কেঁপে উঠত?
উত্তর: সুভার ওষ্ঠাধর কচি কিশলয়ের মতো কেঁপে উঠত।
৪১. সুভা কখনো কখনো কিসের মতো চেয়ে থাকত?
উত্তর: সুভা কখনো অস্তমান চন্দ্রের মতো অনিমেষভাবে চেয়ে থাকত।
৪২. গোয়ালের গাভী দুটি সুভার কে ছিল?
উত্তর: গাভী দুটি সুভার অন্তরঙ্গ বন্ধু ছিল।
৪৩. সুভা নিয়মিত কয়বার গোয়ালে যেত?
উত্তর: সুভা নিয়মিত তিনবার গোয়ালে যেত।
৪৪. গল্পে কোন তিথির উল্লেখ আছে?
উত্তর: শুক্লা দ্বাদশী তিথির উল্লেখ আছে।
৪৫. বাণীকণ্ঠের ঘর কোথায় ছিল?
উত্তর: বাণীকণ্ঠের ঘর নদীর একেবারে উপরে ছিল।
৪৬. সুভা মনে করত সবাই তাকে কী করলে সে বাঁচে?
উত্তর: সুভা মনে করত সবাই তাকে ভুলে গেলে সে বাঁচে।
৪৭. জন্মগত ত্রুটির কারণে সুভার মা তাকে কী মনে করতেন?
উত্তর: তিনি সুভাকে নিজের গর্ভের কলঙ্ক মনে করতেন।
৪৮. নীরব হৃদয়ভারের মতো কে বিরাজ করছিল?
উত্তর: সুভা পিতা-মাতার কাছে নীরব হৃদয়ভারের মতো বিরাজ করছিল।
৪৯. সুভা সবসময় কোথায় গিয়ে আশ্রয় খুঁজত?
উত্তর: সুভা সবসময় নদীর তীরে গিয়ে আশ্রয় খুঁজত।
৫০. বাণীকণ্ঠের ছোট মেয়ের নাম কী?
উত্তর: বাণীকণ্ঠের ছোট মেয়ের নাম সুভা।

