স্ত্রীকে দ্রুত তৃপ্তি দেওয়ার উপায় শুধু সময় নয়, সঠিক বোঝাপড়া ও যত্ন জরুরি। প্রথমত, খোলামেলা যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ স্ত্রীর পছন্দ, অপছন্দ ও অনুভূতি জানুন। শারীরিক ঘনিষ্ঠতার আগে আদর, চুম্বন ও মানসিক সংযোগ উত্তেজনা বাড়ায়।
তাড়াহুড়ো না করে ফোরপ্লেতে সময় দিন, কারণ অনেক নারীর জন্য এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নিজের ক্লান্তি ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন। নিরাপদ ও সম্মত ভঙ্গি বেছে নিন। প্রয়োজনে শ্বাস-প্রশ্বাস ও গতি নিয়ন্ত্রণ শিখুন। যদি সমস্যা স্থায়ী হয়, যৌন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বা কাউন্সেলরের পরামর্শ নেওয়া উপকারী।
স্ত্রীকে দ্রুত তৃপ্তি দেওয়ার উপায়
প্রথমবার কিভাবে শুরু করবেন সেটি জানুন। প্রথমে মিলনের ক্ষেত্রে সকল পুরুষেরই খেয়াল রাখা উচিত্ যে, রতিক্রিয়া যেন তাঁর সঙ্গিনী কষ্ট না পায়। এর জন্য পুরুষদের কর্তব্য হচ্ছে খুব সতর্কতার সাথে ইন্দ্রিয় সঞ্চালন করা। পুরুষাঙ্গের স্বাভাবিক আকার হচ্ছে ৫ বা ৬ ইঞ্চি। এর চেয়ে ছোট পুরুষাঙ্গ হলে তাতে কোনো সমস্যা নেই বরং এতে নারীর কোনো কষ্ট হয় না। কিন্তু পুরুষাঙ্গ যদি বড় হয় তাহলে এক্ষেত্রে নারীর কষ্ট হয় রতিক্রিয়া করতে।
স্বাভাবিক পুরুষাঙ্গ দ্বারাও কিছু দিন কষ্ট হয় পরে নারীর যোনিনালী প্রসরতা বৃদ্ধি পেলে সেটা আর থাকে না। কিন্তু পুরুষাঙ্গ যদি বড় হয় সেক্ষেত্রে রতিক্রিয়া করার সময় স্বামীকে অবশ্যই স্ত্রীর প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।
এক্ষেত্রে স্বামীর করণীয় হচ্ছে তাঁর স্ত্রীকে ভালোভাবে উত্তেজিত করে নেওয়া। স্ত্রীর যখন যথেষ্ঠ উত্তেজিত হবে তখন তাঁর যোনি পথে এক ধরণের পিচ্ছিল পানি বের হবে যাকে যৌন রস বলে।
এই যৌন রস বের হয়ে স্ত্রীর যোনিকে পিচ্ছিল করে দেয়। যার কারণে লিঙ্গ অনায়াসে যোনি পথে আসা যাওয়া করতে পারে। সেক্ষেত্রে নারীর কষ্ট হয় না।
প্রথম মিলন কালে স্ত্রীকে ভালো করে উত্তেজিত করে নিলে প্রথম মিলনে কষ্ট হলে স্ত্রীর কম বোধ পায়। কেননা সে উত্তেজনা বশে থাকে। যোনিতে পুরুষাঙ্গ প্রবেশের পূর্বে লিঙ্গের অগ্রভাগে হালকা থু থু লাগালে পিচ্ছিলতা আসবে। আবার জেলও ব্যবহার করা যেতে পারে। বাজারে কসমেটিক্স দোকানে পাওয়া যায়। যাদের পুরুষাঙ্গ বড় সেসব স্বামীদের করণীয় হচ্ছে মিলনের পূর্বে স্ত্রীকে তো ভালভাবে উত্তেজিত করবেই, এবং তাঁর সাথে স্ত্রীর যোনি লিঙ্গ আস্তে ধীরে প্রবেশ করাবে যাতে সে কম ব্যথা অনুভব করে।
এক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রীর যোনিতে লিঙ্গ ৩ ইঞ্চি অথবা স্ত্রী যতটুকু সায় দেয় ততটুকু পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করিয়ে সঙ্গম চালিয়ে যেতে থাকবে। এক্ষেত্রে কিছু আসন গ্রহণ করা যেতে, যেমন স্ত্রী চিত্ হয়ে শুয়ে থাকবে, আর স্বামী হাটু গেড়ে বসে যোনিতে লিঙ্গ প্রবেশ করিয়ে সঙ্গম চালিয়ে যেতে থাকবে।
অথবা স্ত্রী পাছা উপরের দিকে দিয়ে খাটে শুয়ে থাকবে এবং স্বামী হাটু গেড়ে বসে যোনিতে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করিয়ে সঙ্গম চালিয়ে যেতে থাকবে।
এখানে আরেকটি আসন আছে, স্বামী নিচে শুয়ে থাকবে এবং স্ত্রী উপরে উঠে বসে নিজের সুবিধা মতো সঙ্গম চালিয়ে যেতে থাকবে।
স্বামীকে অবশ্যই স্ত্রীর যোনি চাহিদার উপর গুরুত্ব দিতে হবে, স্ত্রীর যাতে তাঁর দ্বারা কোনো কষ্ট না পায় সেটাও স্বামীকে খেয়াল করতে হবে। যে
আসনেই সঙ্গম করেন না কেনো স্বামীকে সঙ্গম চলা কালে স্ত্রীর মতামত জানতে হবে, তাঁর কাছে কেমন লাগতেছে, সে ব্যথা অনুভব করতেছে কিনা ।
স্বামীর বীর্যপাতের পূর্বে স্ত্রীর কাছে জানতে হবে তাঁর খায়েশ মিটছে কিনা। যদি স্ত্রীর খায়েশ না মেটেই স্বামীর বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে স্ত্রীরদের মনে বিষন্নতা তৈরি হয়, তাঁর মেজাজ হয়ে যায় খিটখেটে, মনে একধরণের অশান্তি অনুভব করে।
কিভাবে করলে স্ত্রী খুশি হয়?
প্রথমে কিছুক্ষণ স্ত্রীর সাথে রোমান্টিক গল্প করুন। এরপর তার সমগ্র শরীরে (ঠোট, মুখ, গলা, ঘাড়, বুক, স্তন, নাভী, পেট, পিঠ, তলপেট, ঊরু, নিতম্ব, যৌনাঙ্গ ইত্যাদি স্থানে) চুম্বন, আলিঙ্গন, ম্যাসাজ করে স্ত্রীকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করুন। সঠিকভাবে উত্তেজিত হলে দেখবে স্ত্রীর যোনি থেকে এক ধরনের পিচ্ছিল রস বের হচ্ছে।
ওই রস বের হলেই বুঝবেন যে স্ত্রী যৌন সঙ্গমের জন্য প্রস্তুত হয়ে গেছে। ওই রসের অন্যতম কাজ যোনিপথ পিচ্ছিল করে দেওয়া যাতে যৌনক্রিয়ার সময় ব্যাথা না লাগে (যৌন মিলনকালে নারী ব্যথা পাওয়ার কারণ)। আপনার লিঙ্গ থেকেও ওই একইরকম পিচ্ছিল রস বের হবে। এরপর আপনি আপনার লিঙ্গ স্ত্রীর যোনিতে প্রবেশ করাতে পারেন। দুজনেই আনন্দ পাবে।
মনে রাখবেন যৌনসঙ্গম মানে শুধু যোনির মধ্যে লিঙ্গ প্রবেশ করিয়ে নাড়াচাড়া করা নয়, যৌনসঙ্গম হল ভালবাসার অভিব্যক্তি। তাই স্ত্রীকে শুধু যৌনক্রিয়ার মেশিন ভাববেন না। তাকে আদর করে ধীরে ধীরে সঙ্গম শুরু করবেন। তাহলেই আপনার স্ত্রী খুব আনন্দ পাবে এবং আপনাকেও আরও ভালবাসবে। এতসব করা সত্ত্বেও যদি যৌনক্রিয়ার সময় আপনার স্ত্রী ব্যাথা অনুভব করে তাহলে যোনিতে কোন লুব্রিকেটিং জেল নিজের লিঙ্গে লাগিয়ে তারপর সঙ্গম শুরু করুন।
তবে প্রথম যৌন সঙ্গমের সময় কিছু মহিলার সামান্য ব্যথা লাগতে পারে। অনেকে সেই ভয়েই জড়সড় হয়ে থাকে। আপনার স্ত্রীরও এমন হলে তাকে গল্প করতে করতে বোঝান, যে ওই সামান্য কষ্ট সহ্য করতে পারলে পরে সে অনাবিল আনন্দ পাবে। প্রয়োজনে কন্ডম ব্যবহার করা যেতে পারে।

