রমজান নিয়ে কিছু ইসলামিক কথা মূলত তাকওয়া, ধৈর্য ও আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব বোঝায়। রমজান হলো এমন এক পবিত্র মাস, যেখানে মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য রোজা রাখে, বেশি বেশি নামাজ পড়ে ও কুরআন তিলাওয়াত করে। ইসলামিক বাণীগুলো মানুষকে পাপ থেকে বিরত থাকতে, মিথ্যা ও খারাপ কাজ পরিহার করতে উৎসাহ দেয়। এই মাসে দোয়া কবুল হয় এবং নেক আমলের সওয়াব বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। রমজান সম্পর্কে ইসলামিক কথা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, এটি শুধু উপবাসের মাস নয়, বরং চরিত্র গঠন ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের শ্রেষ্ঠ সময়।
রমজান নিয়ে কিছু ইসলামিক কথা
রমজান আমাদের এই শিক্ষাই দেয় যে, আমরা যদি আল্লাহর জন্য হালাল খাবার ত্যাগ করতে পারি, তবে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হারাম কাজ কেন ত্যাগ করতে পারব না?
রোজা রাখা মানে কেবল ক্ষুধার্ত থাকা নয়, বরং নিজের নফস বা কুপ্রবৃত্তিকে খাঁচায় বন্দি করে রাখা। প্রকৃত রোজাদার সেই যার জিহ্বা এবং হাত থেকে অন্য মানুষ নিরাপদ থাকে।
রমজান হলো আধ্যাত্মিক বসন্তকাল। এই মাসে কুরআন নাযিল হয়েছে বলেই এর এতো মর্যাদা। তাই এই মাসে কুরআনের সাথে সম্পর্ক গভীর করাই হোক আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
ইফতারের ঠিক আগের মুহূর্তটি হলো আল্লাহর কাছে চাওয়ার শ্রেষ্ঠ সময়। সারাদিনের ক্লান্তি শেষে বান্দা যখন দুআ করে, আল্লাহ তা ফিরিয়ে দিতে লজ্জা বোধ করেন।
রমজান আমাদের শিখিয়ে দেয় যে, তকওয়া বা খোদাভীতিই হলো মানুষের আসল সম্পদ। এই এক মাসের প্রশিক্ষণ যেন আমাদের বাকি এগারো মাস সৎ পথে চলতে সাহায্য করে।
সেহরির সময়টি ইবাদতের জন্য অত্যন্ত বরকতময়। যখন পৃথিবী ঘুমে মগ্ন থাকে, তখন আল্লাহর দরবারে নিজের গোনাহের জন্য ক্ষমা চাওয়া এবং চোখের পানি ফেলা পরম সৌভাগ্যের বিষয়।
অনেকে মনে করে রমজান মানেই ভালো খাবার-দাবার। আসলে রমজান হলো অল্পে তুষ্ট থাকার এবং অভাবী মানুষের ক্ষুধার জ্বালা অনুভব করার এক বিশেষ মাধ্যম।
তারাবিহর নামাযে আল্লাহর কালাম শোনা মনের সকল জং দূর করে দেয়। কুরআন যখন হৃদয়ে প্রবেশ করে, তখন দুনিয়ার মোহ তুচ্ছ হয়ে যায় এবং পরকালের ভাবনা প্রবল হয়।
রমজান হলো ক্ষমার মাস। আমরা যদি আল্লাহর কাছে ক্ষমা পেতে চাই, তবে আমাদেরও উচিত যারা আমাদের কষ্ট দিয়েছে তাদের এই পবিত্র মাসে মন থেকে ক্ষমা করে দেওয়া।
লাইলাতুল কদর হলো এই মাসের শ্রেষ্ঠ উপহার। হাজার মাসের চেয়েও সেরা এই রাতটি পাওয়ার জন্য রমজানের শেষ দশকের প্রতিটি রাত ইবাদতে কাটানো মুমিনের বৈশিষ্ট্য।
রমজান হলো মুমিনের হৃদয়ের বসন্তকাল, যেখানে ইবাদতের মাধ্যমে ঈমানের চারাগাছটি সতেজ হয়ে ওঠে। এই মাসে প্রতিটি ভালো কাজের সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।
রোজা রাখা কেবল না খেয়ে থাকা নয়, বরং নিজের নফস বা কুপ্রবৃত্তিকে আল্লাহর হুকুমে বন্দি করে রাখা। এটি আত্মশুদ্ধির এক অনন্য মাধ্যম।
ইফতারের আগের সময়টি দোয়া কবুলের শ্রেষ্ঠ মুহূর্ত। সারাদিনের ক্লান্তি শেষে বান্দা যখন দু হাত তুলে চায়, তখন আল্লাহ তা ফিরিয়ে দিতে লজ্জা বোধ করেন।
রমজান আমাদের এই শিক্ষা দেয় যে, আমরা যদি আল্লাহর জন্য হালাল খাবার ছাড়তে পারি, তবে হারাম কাজ কেন চিরতরে বর্জন করতে পারব না?
সেহরির সময়টি অত্যন্ত বরকতময়। যখন পৃথিবী ঘুমে মগ্ন থাকে, তখন আল্লাহর দরবারে মোনাজাত করে নিজের গুনাহের জন্য ক্ষমা চাওয়া পরম সৌভাগ্যের বিষয়।
প্রকৃত রোজাদার সেই ব্যক্তি, যার জিহ্বা গীবত থেকে, চোখ হারাম থেকে এবং অন্তর হিংসা-বিদ্বেষ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকে। এটিই রোজার আসল সার্থকতা।
রমজান হলো কুরআন নাযিলের মাস। তাই এই পবিত্র মাসে তিলাওয়াতের পাশাপাশি এর অর্থ বুঝে নিজের জীবনকে কুরআনের আলোয় আলোকিত করা উচিত।
তারাবিহর নামায ক্লান্তি নয়, বরং এটি আত্মার প্রশান্তি। দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে আল্লাহর কালাম শোনা হৃদয়ের সকল অস্থিরতা দূর করে শান্তি ফিরিয়ে আনে।
রমজান আমাদের ক্ষুধার জ্বালা বুঝিয়ে দেয়, যাতে আমরা সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও ক্ষুধার্ত মানুষের প্রতি দয়া ও সহমর্মিতা প্রদর্শন করতে শিখি।

দান-সদকাহ করার জন্য রমজানই হলো শ্রেষ্ঠ সময়। আপনার সামান্য সাহায্য হয়তো কোনো অভাবী মানুষের ইফতারকে আনন্দময় করে তুলতে পারে।
রোজা হলো গুনাহের বিরুদ্ধে মুমিনের ঢাল। এই ঢাল ব্যবহার করে নিজেকে শয়তানের প্ররোচনা এবং জাহান্নামের ভয়াবহ আগুন থেকে রক্ষা করতে হবে।
রমজান মাসে একটি নফল ইবাদত অন্য মাসের ফরজের সমান সওয়াব বয়ে আনে। তাই এই সুযোগ হেলায় না হারিয়ে আমলনামা ভারী করা উচিত।
লাইলাতুল কদর হলো হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ রাত। এই এক রাতের ইবাদত আপনার পুরো জীবনের গুনাহ মাফের উসিলা হতে পারে।
রমজানের শেষ দশ দিন হলো নাজাতের সময়। এই সময়ে ইতিকাফের মাধ্যমে দুনিয়ার সব ঝামেলা ভুলে আল্লাহর ধ্যানে মগ্ন হওয়া অত্যন্ত সওয়াবের কাজ।
অহংকার ভুলে বিনয়ী হওয়ার নামই হলো রমজান। মহান প্রভুর সামনে নিজেকে তুচ্ছ করে সমর্পণ করাই হলো প্রকৃত দাসত্ব ও ইবাদতের মূল।
আপনার প্রতিটি নিঃশ্বাস এবং ঘুমও রমজানে ইবাদত হিসেবে গণ্য হতে পারে, যদি আপনার প্রতিটি কাজের নিয়ত হয় একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
রমজান আমাদের সময়ানুবর্তিতা শেখায়। সেহরি ও ইফতারের সুনির্দিষ্ট সময় আমাদের জীবনে শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
পরনিন্দা বা গীবত রোজা নষ্ট না করলেও এর সওয়াবকে একদম শেষ করে দেয়। তাই রোজাদার অবস্থায় নিজের জিহ্বাকে সব সময় নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।
কষ্টের ইবাদতে সওয়াব বেশি। তপ্ত দুপুরে তৃষ্ণার্ত হয়ে রোজা রাখা আল্লাহর প্রতি আপনার গভীর ভালোবাসা এবং অটল বিশ্বাসের প্রমাণ দেয়।
রমজান মানেই ভ্রাতৃত্বের মিলনমেলা। ইফতারের আনন্দ একা নয়, বরং প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনের সাথে ভাগ করে নেওয়া অনেক বড় সওয়াবের কাজ।
প্রতিটি রোজার বিনিময়ে আল্লাহ বান্দার গুনাহ ক্ষমা করেন, যদি সেই রোজা রাখা হয় পূর্ণ বিশ্বাস এবং ইখলাসের সাথে। আল্লাহ আমাদের কবুল করুন।
রমজান শেষে আমরা যেন কেবল উৎসব না করি, বরং এই এক মাসের অর্জিত শিক্ষা সারা বছর আমাদের জীবনযাত্রায় ধরে রাখার চেষ্টা করি।
নিজেকে আল্লাহর কাছে পুরোপুরি সমর্পণ করার মাস হলো রমজান। তাই দুনিয়াবী সব দুশ্চিন্তা ছেড়ে দিয়ে কেবল তাঁর রহমতের ওপর ভরসা রাখুন।
মাহে রমজানে শয়তানকে শিকল দিয়ে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়, যাতে মানুষ কোনো বাধা ছাড়াই নির্বিঘ্নে আল্লাহর ইবাদতে মনোনিবেশ করতে পারে।
যারা অসুস্থ বা সফরে থাকার কারণে রোজা রাখতে পারেন না, তাদের জন্যও আল্লাহ সহজ পথ রেখেছেন। তিনি বান্দার ওপর কোনো বোঝা চাপান না।
ছোটদের রোজা রাখতে উৎসাহিত করুন, যাতে শৈশব থেকেই তাদের কচি অন্তরে ইসলামের বিধান ও আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা দৃঢ়ভাবে প্রোথিত হয়।
ইফতারিতে অনেক পদের আয়োজনের চেয়ে ইবাদতে বেশি সময় ব্যয় করাই হলো বুদ্ধিমানের কাজ। আড়ম্বর নয়, তাকওয়াই হলো আসলি উদ্দেশ্য।
আমলনামা ভারী করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এই পবিত্র মাসে বেশি বেশি জিকির ও তসবিহ পাঠ করা। সুবহানাল্লাহ বলতেও কুণ্ঠা করবেন না।
রমজান হলো মুমিনের জন্য ক্ষমার এক অফুরন্ত সমুদ্র। নিজেকে এই সমুদ্রে ডুবিয়ে পবিত্র করে নিন এবং আল্লাহর প্রিয় বান্দা হওয়ার চেষ্টা করুন।
নিজের অতীতের গুনাহের কথা ভেবে আল্লাহর কাছে এক ফোঁটা চোখের পানি ফেলুন। এই পানিই কাল কিয়ামতে আপনার মুক্তির পথ সহজ করবে।
রমজান মাসে প্রতিটি সিজদাহ হোক আরও লম্বা এবং আরও বিনয়ী। আল্লাহর সবচেয়ে কাছে যাওয়ার শ্রেষ্ঠ উপায় হলো একান্ত নিভৃতে সিজদাহ করা।
ধৈর্য ও সহনশীলতার মাস হলো রমজান। কেউ গালি দিলেও তাকে বলুন, ‘আমি রোজাদার’। নিজের রাগকে জয় করাই হলো রোজার অন্যতম শিক্ষা।
রমজান আমাদের পরিমিত জীবনযাপনের শিক্ষা দেয়। অতিভোজন পরিহার করে অল্পে তুষ্ট থাকাই হলো সুন্নতি রোজা এবং সুস্থ জীবনের মূলমন্ত্র।
ইসলাম কেবল নিয়ম পালনের ধর্ম নয়, এটি মনকে পবিত্র করার ধর্ম। রমজান মাস আপনার অন্তরকে হিংসা ও অহংকার থেকে মুক্ত রাখুক।
আপনার প্রতিটি দান যেন হয় গোপনে। ডান হাত দান করলে বাম হাতও যেন না জানে। রমজানে এই বিশুদ্ধ নিয়তে দান করুন।
কুরআন পাঠের সাথে সাথে এর আদেশগুলো মানার শপথ নিন এই রমজানে। তবেই কুরআন নাযিলের মাস আপনার জন্য সার্থক ও ফলপ্রসূ হবে।
মৃত্যুর আগে অন্তত একটি রমজান যেন আমরা এমনভাবে কাটাই, যাতে আল্লাহ আমাদের ওপর পুরোপুরি সন্তুষ্ট হন এবং আমাদের জান্নাত নিশ্চিত করেন।
রমজান মাসে অন্যের গিবত না করে নিজের ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করুন এবং সেগুলো সংশোধনের জন্য আল্লাহর কাছে একান্তভাবে সাহায্য প্রার্থনা করুন।
তওবা করার দরজা এই মাসে পুরোপুরি উন্মুক্ত থাকে। নিজের সবটুকু আকুতি নিয়ে ফিরে আসুন আপনার মালিকের কাছে, তিনি নিশ্চয়ই আপনাকে ক্ষমা করবেন।
রমজান চলে যাওয়া মানে সওয়াব অর্জনের একটি বিশেষ মৌসুম শেষ হওয়া। তাই বিদায়ের আগে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ইবাদতে অবিচল থাকার চেষ্টা করুন।
রমজান নিয়ে কিছু হাদিস
১. রাসূল (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা রাখে, তার অতীতের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।” (বুখারী)
৩. রাসূল (সা.) বলেছেন, “রমজান মাস আসলে জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।” (মুসলিম)
৫. রাসূল (সা.) বলেছেন, “মানুষ ততক্ষণ কল্যাণের ওপর থাকবে যতক্ষণ তারা সময় হওয়ামাত্র দ্রুত ইফতার করবে।” (বুখারী)
৬. রাসূল (সা.) বলেছেন, “রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মেস্কের (সুগন্ধি) চেয়েও অনেক বেশি প্রিয়।” (বুখারী)
৭. রাসূল (সা.) বলেছেন, “রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে; একটি ইফতারের সময় এবং অন্যটি তার রবের সাথে সাক্ষাতের সময়।” (মুসলিম)
৮. রাসূল (সা.) বলেছেন, “জান্নাতে রাইয়ান নামক একটি বিশেষ দরজা আছে, যা দিয়ে কেবল রোজাদাররাই কিয়ামতের দিন প্রবেশ করবে।” (বুখারী)
৯. রাসূল (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও মন্দ কাজ ত্যাগ করল না, তার না খেয়ে থাকাতে আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।” (বুখারী)
১১. রাসূল (সা.) বলেছেন, “আল্লাহ বলেছেন, রোজা কেবল আমারই জন্য এবং আমি নিজেই এর প্রতিদান দেব।” (বুখারী)
১২. রাসূল (সা.) বলেছেন, “তোমাদের কেউ যদি রোজা রাখে তবে সে যেন অশ্লীল কথা না বলে এবং কারো সাথে ঝগড়া না করে।” (বুখারী)

১৩. রাসূল (সা.) বলেছেন, “তিন ব্যক্তির দোয়া কখনো ফিরিয়ে দেওয়া হয় না, তাদের মধ্যে একজন হলো রোজাদার (ইফতার পর্যন্ত)।” (তিরমিজি)
১৪. রাসূল (সা.) বলেছেন, “যদি কেউ ভুলে কিছু খেয়ে ফেলে বা পান করে, তবে সে যেন তার রোজা পূর্ণ করে।” (বুখারী)
১৫. রাসূল (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, সে রোজাদারের সমান সওয়াব পাবে, কিন্তু রোজাদারের সওয়াব কমবে না।” (তিরমিজি)
১৭. রাসূল (সা.) বলেছেন, “তোমরা খুরমা (খেজুর) দিয়ে ইফতার করো, যদি না পাও তবে পানি দিয়ে, কারণ পানি পবিত্র।” (আবু দাউদ)
১৯. রাসূল (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি রমজানে দান-সদকাহ করে, সে অন্যান্য সময়ের চেয়ে বহুগুণ বেশি সওয়াব পায়।” (তিরমিজি)
২২. রাসূল (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি রমজানের শেষ দশ দিন ইতিকাফ করল, সে দুটি হজ ও দুটি ওমরাহর সওয়াব পেল।” (বায়হাকী)
২৩. রাসূল (সা.) বলেছেন, “মানুষের প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব ১০ থেকে ৭০০ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয় (রোজা ব্যতীত)।” (মুসলিম)
২৫. রাসূল (সা.) বলেছেন, “নিশ্চয়ই ইফতারের সময় আল্লাহর কাছে একদল লোককে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।” (ইবনে মাজাহ)
২৬. রাসূল (সা.) বলেছেন, “রমজান মাস হলো সেই মাস যার শুরু রহমত, মধ্যভাগ মাগফিরাত এবং শেষ ভাগ নাজাত।” (বায়হাকী)
২৭. রাসূল (সা.) বলেছেন, “আল্লাহর শপথ, সেহরি খাওয়া কখনো ছাড়বে না, এমনকি এক ঢোক পানি দিয়ে হলেও।” (আহমাদ)
২৯. রাসূল (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি রমজান মাস পেল অথচ নিজের গুনাহ মাফ করাতে পারল না, সে ধ্বংস হোক।” (তিরমিজি)

