বিবাহিত নারীকে রাজি করার উপায় ৫টি

বিবাহিত নারীকে রাজি করার উপায় জানার আগে জানতে হবে সেই নারী আসলে কি চায়। বিবাহিত নারী বা যেকোনো ব্যক্তির সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সর্বদা সম্মান এবং সীমানার গুরুত্ব রয়েছে। কথোপকথন ও বন্ধুত্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে পারস্পরিক বিশ্বাস সৃষ্টি করা যায়। অন্যের অনুভূতি বোঝা, সহানুভূতি দেখানো এবং ব্যক্তিগত সীমারেখা মানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে সময়, বোঝাপড়া এবং আন্তরিকতা প্রয়োজন। কোনো অবস্থাতেই চাপ বা প্রলোভন ব্যবহার করা উচিত নয়। শান্ত ও সুস্থ যোগাযোগ, সহানুভূতি এবং পারস্পরিক সম্মানই দীর্ঘমেয়াদী বন্ধুত্ব এবং বিশ্বাস গড়ে তোলার নিরাপদ এবং নৈতিক উপায়।

বিবাহিত নারীকে রাজি করার উপায়

নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা বা ঘনিষ্ঠ হওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সম্মান, নিরাপত্তা এবং যোগাযোগ। কেউই হঠাৎ করে কাউকে ঘনিষ্ঠতার জন্য রাজি হয়ে যায় না। সম্পর্ক সবসময় ধীরে ধীরে তৈরি হয়। যখন একজন নারী নিরাপদ, সম্মানিত এবং মূল্যবান অনুভব করেন, তখনই তিনি কারো কাছে নিজেকে খোলামেলা করতে পারেন। এই প্রসঙ্গে অনেকেই ভুল ধারণা নিয়ে থাকে, যেন নারীর সাথে ভালো ব্যবহার বা ঘনিষ্ঠতা মানেই তাকে কিছু করতে রাজি করানো। আসলে এটি পুরোপুরি ভুল। যে কোনো ঘনিষ্ঠতা বা শারীরিক সম্পর্ক হওয়া উচিত পারস্পরিক ইচ্ছা ও খোলামেলা সম্মতির ভিত্তিতে।

প্রথম ধাপঃ মানসিক সংযোগ তৈরি করা- নারীরা সাধারণত আবেগ, বিশ্বাস ও বোঝাপড়া দিয়ে সম্পর্ক তৈরি করতে আরামবোধ করেন। তার অনুভূতি, সমস্যাগুলো, চিন্তা এবং আগ্রহকে মূল্য দাও। কেউ যদি দেখে যে তুমি তাকে ব্যক্তি হিসেবে সম্মান করছ, তখন সে ধীরে ধীরে খুলে যাবে। নারীর আরামবোধের জায়গা তৈরি করো। এতে তাড়াহুড়ো থাকবে না, শুধু স্বাভাবিক ভাবে সম্পর্ক এগিয়ে যাবে।

দ্বিতীয়ঃ সৎ যোগাযোগ- কোনো সম্পর্কই চাপ দিয়ে এগোনো যায় না। তুমি কী চাও, সে কী চায়, কোথায় সীমারেখা সব কিছু খোলামেলা কথা বলা উচিত। এতে ভুল বোঝাবুঝি দূর হয় এবং উভয়ের জন্য একটি স্বচ্ছ পরিবেশ তৈরি হয়। ঘনিষ্ঠতা স্বাভাবিকভাবে তখনই আসে, যখন দুজনই নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করতে পারে।

See More  মাত্র ৭ দিনে ফর্সা হওয়ার ক্রিম, যেভাবে দ্রুত ফর্সা হবেন

তৃতীয় ধাপঃ সম্মান-  একজন নারী যদি কোনো বিষয়ে না বলে, সে সিদ্ধান্তটাকে সম্মান করা জরুরি। না মানে না। চাপ সৃষ্টি করা, বারবার চেষ্টা করা বা আবেগকে ব্যবহার করা সবই ক্ষতিকর আচরণ। বরং সীমানা মানলে নারী আরও বেশি নিরাপদ অনুভব করবে, যা দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্ককে শক্ত করে।

চতুর্থ বিষয়ঃ সময় দাও এবং ধৈর্য ধরো-  নারীদের জন্য সম্পর্ক মানেই শুধু শারীরিক ঘনিষ্ঠতা নয়। বিশ্বাস তৈরি হতে সময় লাগে। ধৈর্য দেখানোই হলো প্রকৃত পরিপক্কতা। যখন নারী মনে করবে সে তোমার সঙ্গেই নিরাপদ, তখন ঘনিষ্ঠতা একটি স্বাভাবিক অংশ হয়ে উঠবে। এতে কোনো চাপ বা জোর থাকবে না।
হট নাইট মেয়েদের নাইট ড্রেস ডিজাইন

মেয়েদের সেক্সের জন্য রাজি করার উপায়

হর্নি করা : নারীদের সেক্সে রেডি করা বা হর্নি করার জন্য সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি হল স্পর্শ। ঠিকমতো স্পর্শ করতে পারলেই নারীদের উত্তেজিত ও কামুকি করে তোলা যায়।
সিঙার : বেশিরভাগ নারী সরাসরি যৌনমিলনে না গিয়ে সিঙারে তৃপ্তি পায়। তাই ফোরপ্লেতে সময় দিন।
কল্পনা /ফ্যান্টাসি : যৌনমিলন কাল বা অন্য সময় যৌনতা নিয়ে কল্পনা করে সঙ্গীর সাথে সুখকর যৌন আবেশে জড়িয়ে পড়তে পারেন।
সরাসরি মিলনে দেরী করা : নারীরা যৌন উত্তেজক বিষয় বেশি কামনা করে। তাই নারীর কাম উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে, নারীর মুখ কপাল ও গালে ঘন ঘন চুমু খাওয়া ও ঘর্ষণ করা উচিত।
মর্দন: মিলনের পূর্বে নারীর স্তন ও ভগাঙ্কুর মর্দন তার কাম উত্তেজনা বাড়ায়। চুম্বন, আলিঙ্গন ছাড়া ও ধীরে ধীরে আঘাত, দংশন ও নিপীড়ন করলে নারী উত্তেজিত হয়ে পড়ে। উত্তেজিত হয়ে নারীরা ধীরে ধীরে পুরুষের কাছে সমর্পন করলে যৌনমিলন বা সহবাস করা উচিত।
ভাইব্রেটর : নারীকে উত্তেজিত করতে ভাইব্রেটরের বিকল্প হিসাবে পুরুষ তার মধ্যমা অঙ্গুলি দিয়ে নারীর যোনীর ভিতরে জি স্পট(যৌনাঙ্গের কিছুটা ভিতরে অতি সংবেদনশীল অঞ্চল) এ কম্পন সৃষ্টি করলে নারীর কাম উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। তখন নারী যৌনমিলনে লিপ্ত হয়।
মেয়েদের সহবাসে তৃপ্তি লাভ : মেয়েদের সহবাসে (সেক্সে) রাজী করানোর কৌশল প্রয়োগ করে সহবাসে বা যৌনমিলনে যুক্ত করলে মেয়েরা সঙ্গমে তৃপ্তি লাভ করে ।
তৃপ্তি: সহবাসে মেয়েদের চরম তৃপ্তি দিতে যৌনমিলনে পুরুষের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।
যৌনমিলনে বা সহবাসে বারবার একই পোজ প্রয়োগ না করে যেটিতে মেয়েদের তৃপ্তি হয় সেগুলো প্রয়োগ করা দরকার।

 

See More  যোনি পিচ্ছিল করার উপায় ও সেরা ক্রিম

সবশেষে, মনে রাখতে হবে কারো সাথে ঘনিষ্ঠতা কোনো কৌশলে পাওয়া যায় না। এটি আসে দুইজন মানুষের পারস্পরিক সম্মতি, আবেগ, আস্থা এবং স্বাভাবিক সম্পর্কের বিকাশ থেকে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *