বিদ্রোহী কবিতার সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তরগুলো নিচে দেওয়া হয়েছে তোমরা এখান থেকে পড়তে পারবে বা খাতায় লিখে নিতে পারবে। কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবাণী’ (১৯২২) থেকে সংকলিত হয়েছে। অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা ‘বিদ্রোহী’ বাংলা সাহিত্যের একটি শ্রেষ্ঠ কবিতা।
বিদ্রোহী কবিতার সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর
সৃজনীল প্রশ্ন ১.
দুর্বাসা হে! রুদ্র তড়িৎ হান্ছিলে বৈশাখে,
হঠাৎ সে কার শুনলে বেণু কদম্বের ঐ শাখে।
বজ্রে তোমার বাজলে বাঁশি, বহ্নি হলো কান্না, হাসি
সুরের ব্যথায় প্রাণ উদাসী-
মন সরে না কাজে।
তোমার নয়ন-ঝুরা অগ্নি-সুরেও রক্ত-শিখা বাজে!’
ক. কবি নিজেকে কার শিষ্য বলে ঘোষণা করেছেন?
খ. ‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’- ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার কোন দিকটি প্রকাশিত হয়েছে? আলোচনা করো।
ঘ. উদ্দীপকের দুর্বাসা ‘বিদ্রোহী’ কবিতার ক্ষ্যাপা দুর্বাসার স্বরূপ উন্মোচনে সহায়ক কি? যৌক্তিক বিশ্লেষণ করো।
ক. কবি নিজেকে কার শিষ্য বলে ঘোষণা করেছেন?
কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় নিজেকে বিশ্ব-মিত্রের শিষ্য বলে ঘোষণা করেছেন।
খ. ‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’- ব্যাখ্যা করো।
উদ্ধৃতাংশটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের দ্বৈত সত্তাকে তুলে ধরেছে। এখানে কবি একদিকে প্রেম ও সৌন্দর্যের প্রতীক এবং অন্যদিকে বিদ্রোহ ও ধ্বংসের প্রতীক।
বাঁশরী হলো প্রেম, শান্তি, সৌন্দর্য, সুর ও রোমান্টিকতার প্রতীক। এই দিকটি প্রকাশ করে যে কবি শুধু ধ্বংসের পূজারি নন, তিনি পৃথিবীর কোমল ও ভালোবাসার দিকটিও ভালোবাসেন এবং শান্তিময় জীবন কামনা করেন। রণ-তূর্য হলো বিদ্রোহ, সংগ্রাম, যুদ্ধ, অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও ধ্বংসের প্রতীক। এই দিকটি প্রকাশ করে যে যেখানে অন্যায়, শোষণ বা পরাধীনতা থাকবে, সেখানে কবি তূর্য বাজিয়ে প্রতিবাদ জানাবেন, যুদ্ধ করবেন এবং পুরাতনকে ভেঙে নতুন সমাজ গড়বেন।
তাই এই পঙ্ক্তিটির মাধ্যমে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে তিনি একই সাথে প্রেমিক এবং বিপ্লবী, তিনি শুধু ভাঙতেই জানেন না, গড়তেও জানেন; তিনি একই সাথে সৃষ্টি ও ধ্বংসের ধারক।
গ. উদ্দীপকে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার কোন দিকটি প্রকাশিত হয়েছে? আলোচনা করো।
উদ্দীপকে কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতার দ্বৈত সত্তা ও সুর-সংঘাতের দিকটি প্রকাশিত হয়েছে।
বিদ্রোহী কবিতায় কবি ‘আমি’ একাধারে রুদ্র ও সুন্দর, ধ্বংস ও সৃষ্টির প্রতীক। উদ্দীপকের চরিত্র দুর্বাসার মধ্যেও আমরা এই দ্বৈততা দেখতে পাই:
উদ্দীপকের প্রথম অংশে দুর্বাসাকে ‘রুদ্র তড়িৎ’ হাতে বৈশাখের ঝঞ্ঝার মতো এক ধ্বংসাত্মক শক্তিতে দেখানো হয়েছে। দুর্বাসা মুনি হিন্দু পুরাণে তাঁর ক্রোধ ও অভিশাপের জন্য বিখ্যাত, যা ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সেই দিকটিকে মনে করিয়ে দেয় যেখানে কবি নিজেকে ‘প্রলয়-নাচন’, ‘রুদ্র ভগবান’ বা ‘ভীষণ’ রূপে প্রকাশ করেছেন।
হঠাৎ কদম্বের শাখে বেণু (বাঁশি) শুনে দুর্বাসার সেই রুদ্র তড়িৎ শান্ত হয়ে গেছে। তাঁর বজ্রেও বাঁশি বেজেছে এবং বহ্নি (আগুন) কান্না-হাসিতে রূপান্তরিত হয়েছে। এটি ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সেই অংশকে ইঙ্গিত করে যেখানে কবি নিজেকে ‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী’ রূপে প্রকাশ করেছেন। অর্থাৎ, প্রলয়ঙ্করী শক্তির মধ্যেও প্রেম ও সুন্দরের আহ্বান কবিকে সুর-ব্যথায় উদাসী করে তোলে।
সুতরাং, উদ্দীপকটি বিদ্রোহীর রুদ্র এবং শান্ত, ধ্বংসাত্মক এবং সৃজনশীল এই দুটি বিপরীত ভাবের সহাবস্থানকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।
ঘ. উদ্দীপকের দুর্বাসা ‘বিদ্রোহী’ কবিতার ক্ষ্যাপা দুর্বাসার স্বরূপ উন্মোচনে সহায়ক কি? যৌক্তিক বিশ্লেষণ করো।
হ্যাঁ, উদ্দীপকের দুর্বাসা চরিত্রটি ‘বিদ্রোহী’ কবিতার ‘আমি ক্ষ্যাপা দুর্বাসা বিশ্বামিত্র-শিষ্য’—এই পঙ্ক্তিতে উল্লিখিত ক্ষ্যাপা দুর্বাসার স্বরূপ উন্মোচনে অত্যন্ত সহায়ক।
১. দুর্বাসার স্বরূপ: পৌরাণিক দুর্বাসা মুনি তাঁর প্রচণ্ড ক্রোধ, জেদ এবং অভিশাপ প্রদানের জন্য পরিচিত। এই চরিত্রটি নিয়ম না মানা, ধ্বংসাত্মক, এবং অদম্য এক শক্তির প্রতীক, যা প্রচলিত সমাজ-ব্যবস্থা বা নিয়মের ধার ধারে না।
২. বিদ্রোহী কবিতায় দুর্বাসা: ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কবি নিজেকে ক্ষ্যাপা দুর্বাসা বলে ঘোষণা করে মূলত তাঁর ভেতরের বিদ্রোহী, অসামাজিক এবং প্রচলিত ধ্যান-ধারণা ভাঙার শক্তিকেই প্রকাশ করেছেন। এই ‘আমি’ সমস্ত অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে অভিশাপের মতো বজ্র-কণ্ঠ ধারণ করে।
৩. উদ্দীপকের ভূমিকা: উদ্দীপকে দেখা যায়, দুর্বাসার হাতে ‘রুদ্র তড়িৎ’ আছে এবং তিনি বৈশাখের মতো প্রচণ্ড রুদ্রতায় ক্ষিপ্ত। এই দিকটি দুর্বাসার প্রলয়ঙ্করী ও ক্ষ্যাপা ভাবটিকেই তুলে ধরে, যা ‘বিদ্রোহী’ কবিতার মূল বিদ্রোহের সুরের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। অর্থাৎ, দুর্বাসার অগ্নি-সুরে রক্ত-শিখা বাজে এই ভাবটি কবির বিদ্রোহী কণ্ঠস্বরেরই প্রতিধ্বনি।
৪. দ্বৈততা উন্মোচন: যদিও উদ্দীপকে বাঁশির সুরে দুর্বাসার ক্রোধ সাময়িক প্রশমিত হয়েছে, তবুও তাঁর মূল চরিত্রটি হলো রুদ্র-শক্তি। ‘বিদ্রোহী’ কবিতায়ও কবি বিদ্রোহ (রুদ্রতা) দিয়েই তাঁর সত্তাকে পরিচিত করেছেন, যদিও তাঁর অন্য হাতে বাঁশরী আছে। উদ্দীপক দুর্বাসার রুদ্র রূপটি ফুটিয়ে তোলার মাধ্যমে প্রমাণ করে যে ‘বিদ্রোহী আমি’ প্রচলিত শৃঙ্খল ভেঙে ফেলার জন্য প্রস্তুত আর এটাই ক্ষ্যাপা দুর্বাসার মূল স্বরূপ।
সুতরাং, দুর্বাসার অদম্য ও প্রলয়ঙ্করী শক্তিকে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করে উদ্দীপকটি ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কবির ক্ষ্যাপা দুর্বাসার বিদ্রোহের স্বরূপ উন্মোচন করতে সাহায্য করেছে।
সৃজনশীল ২.
মোরা ঝঞ্ঝার মতো উদ্দাম
মোরা ঝরনার মতো চঞ্চল
মোরা বিধাতার মতো নিৰ্ভয়
মোরা প্রকৃতির মতো সচ্ছল
মোরা আকাশের মতো বাধাহীন
মোরা মরুসারী বেদুইন ।
ক. ‘খড়গ’ কী কাজে ব্যবহৃত অস্ত্র?
খ. ‘আমি মানি নাকো কোনো আইন’ – কেন তিনি আইন মানেন না?
গ. উদ্দীপকের ‘মোরা বিধাতার মতো নির্ভয়’ লাইনের সঙ্গে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার মিল দেখাও।
ঘ. “উদ্দীপকের ‘মোরা আকাশের মতো বাধাহীন’— যেন ‘বিদ্রোহী’ কবিতার বিদ্রোহী সত্তার স্মারক।” — উক্তিটির বিচার করো।
সমাধান:
ক। উঃ ‘খড়গ’ বলিদানে ব্যবহৃত হয়।
খ। উঃ পরাধীন ভারতবর্ষে ঔপনিবেশিক শাসকগোষ্ঠীর প্রণীত আইন এ দেশের মানুষকে শৃঙ্খলিত করে রেখেছিল বলেই কবি এই নিপীড়নমূলক আইন মানতে চাননি।
সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ জীবনযাপনের জন্যই আইন প্রণয়ন করা হয়। তা সত্ত্বেও যুগে যুগে আইনের দোহাই দিয়ে অপশক্তির প্রতিভূরা সমাজে অন্যায়-অত্যাচারের স্টিমরোলার চালায়। অত্যাচারিত ও নিপীড়িত মানুষ এর প্রতিকার চাইলেই আইনের দোহাই দিয়ে তাদের শৃঙ্খলিত করা হয়। এসব দেখেই কবি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তথাকথিত ক্ষমতাধর গোষ্ঠীর স্বীয় স্বার্থে তৈরি আইন তিনি ভঙ্গ করবেন। আর তাই কবি বলেছেন যে, তিনি কোনো আইন মানেন না।
গ। উঃ বিদ্রোহী’ কবিতায় প্রকাশিত হয়েছে এক নির্ভীক চিত্তের জাগ্রত শক্তির মানুষের কথা যে বাধা-বিঘ্ন, আইন, নিয়মের নিয়ন্ত্রণে আবদ্ধ না হয়ে মানুষের দুঃখ দূর করতে চায়, যার সাথে উদ্দীপকের ‘মোরা বিধাতার মতো নির্ভয়’ কথাটির মিল আছে।
‘বিদ্রোহী’ কবিতায় আত্মশক্তিতে বলীয়ান এক সত্তার আত্মপ্রকাশ ঘটতে দেখা যায়। অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করতে গিয়ে কবি কখনো নিজেকে তুলনা করেছেন টর্পেডোর সাথে, কখনো বেদুইন ও চেঙ্গিসের সাথে। কবি বিদ্রোহের কথা বলেছেন, কেননা বিদ্রোহীর মনে কোনো ভয়ভীতি থাকে না, তারা সত্যের শক্তিতে আলোকিত থাকে। শুধু অত্যাচারীর নিপীড়ন শেষ হলেই তার বিদ্রোহ ক্ষান্ত হয়।
উদ্দীপকের কবিতাংশে নিজেদের বিধাতার মতো নির্ভয় বলা হয়েছে। বিধাতা যেমন সৃষ্টি করেন তেমন ধ্বংসও করেন। তার নিজের ওপর রয়েছে তাঁর পূর্ণ কর্তৃত্ব। ‘বিদ্রোহী’ কবিতার কবিও বলেছেন ‘চির উন্নত মম শির’। একই সাথে বিদ্রোহী কবিতায় বলা হয়েছে, ‘আমি সৃষ্টি, আমি ধ্বংস’, যা উদ্দীপকের উল্লিখিত লাইন, ‘মোরা বিধাতার মতো নির্ভয়’ এর সুরই বহন করে।
ঘ। উঃ উদ্দীপকের ‘মোরা আকাশের মতো বাধাহীন’ চরণে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার কবির বিদ্রোহী সত্তার প্রকাশ ঘটেছে।
‘বিদ্রোহী’ কবিতায় বিদ্রোহের স্বরূপ ফুটে উঠেছে। কবি নিজেকে ছাড়া ‘আর কারো কাছে মাথা নত করেন না, তাঁর কাছে হিমালয়ের মতো পর্বতও মাথা নত করে। বিদ্রোহী সত্তার আবেগ প্রকাশে কবি নিজেকে ঝড়, সৃষ্টি, ধ্বংসের সাথে তুলনা করেছেন। নিজেকে বলেছেন দাবানল দাহ, যা পুরো পৃথিবীকে জ্বালিয়ে দিতে পারে। মূলত পৃথিবীতে বিরাজমান-অন্যায় অত্যাচার দেখেই কবির বিদ্রোহী সত্তা জেগে উঠেছে, তাই অন্যায়-অত্যাচারের অবসানেই সেই সত্তা শান্ত হবে।
উদ্দীপকের ‘মোরা আকাশের মতো বাধাহীন’ অংশে তারুণ্যের শক্তির জয়কে নির্দেশ করা হয়েছে। তরুণেরা কোনো লক্ষ্য অর্জন করতে চাইলে ঝড়ের মতো দুর্বার গতিতে এগিয়ে যায়। সামনে থাকা বাধা-বিপত্তিকে ভেঙেচুরে নতুন কিছু গড়ে নেয়। আকাশও তেমন বাধাহীন এক সন্ত্রা আকাশের মতোই তরুণেরা উদার ও বাধাহীন।
বিদ্রোধী’ কবিতায় প্রকৃতির অনেক বাধাহীন সত্তার সাথে কবি নিজেকে তুলনা করেছেন। তিনি নিজেকে নিয়ম, শৃঙ্খল ও কখন দলে যাওয় একজন মানুষ বলেছেন। দাবানল যেখানে বাধাহীনভাবে সব পুড়িয়ে দেয় নিজেকে তিনি সেই বাধাহীন সত্তায় খুঁজে পেয়েছেন। একই সাথে সুর দিয়ে ভালোবাসার মানুষকে জয় করা অর্ফিয়াসের বাঁশরীর সাথেও নিজের মিল পেয়েছেন তিনি। আকাশের মতো অসীম বাধাহীন সভার কাছে কোনে বাধাই যেমন টিকতে পারে না, তেয়নি ‘বিদ্রোহী’ সত্তার সামনেও সব বাধ তুচ্ছ হয়ে যায়। তাই ‘উদ্দীপকের “মোরা আকাশের মতো বাধাহীন’ যেন বিদ্রোহী কবিতার বিদ্রোহী সভার স্মারক।” মন্তব্যটি যথার্থ।
সৃজনীল প্রশ্ন ৩.
যাহারা পদে পদে আনিয়া দিল লাঞ্ছনা, অপমান, অত্যাচার, নির্যাতন, প্রত্যেক সুযোগে যাহারা হানিল বৈরিতার বিষাক্ত বাণ, হযরত তাঁহাদের সহিত কী ব্যবহার করিলেন? জয়ীর আসনে বসিয়া ন্যায়ের তুলাদ- হাতে লইয়া বলিলেন: ভাইসব, তোমাদের সম্বন্ধে আমার আর কোনো অভিযোগ নাই, আজ তোমরা সবাই স্বাধীন, সবাই মুক্ত। মানুষের প্রতি প্রেমপুণ্যে উদ্ভাসিত এই সুমহান প্রতিশোধ সম্ভব করিয়াছিল হযরতের বিরাট মনুষ্যত্ব।
ক. কবি নিজেকে কাদের মরম বেদনা বলেছেন?
খ. ‘আমি দুর্বার/ আমি ভেঙে করি সব চুরমার’ – ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের সঙ্গে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার বৈসাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।
ঘ. “উদ্দীপকের হযরত মুহম্মদ (স.) ও “বিদ্রোহী’ কবিতার কবির মধ্যে পার্থক্য থাকলেও তাঁদের মূলচেতনা একই” – মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
সৃজনীল প্রশ্ন ৪.
“মুক্তি আলোকে ঝলমল করে আঁধারের যবনিকা
দু’শ বছরের নিঠুর শাসনে গড়া যে পাষাণবেদি
নতুন প্রাণের অঙ্কুর জাগে তারই অন্তর ভেদী।
নব ইতিহাস রচিব আমরা মুছি কলঙ্ক লেখা।”
ক. ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
খ. কবি নিজেকে ‘অনিয়ম উচ্ছৃঙ্খল’ বলেছেন কেন?
গ. উদ্দীপকে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার যে বিষয়টি ফুটে উঠেছে, তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের কবিতাংশটি ‘বিদ্রোহী’ কবিতার মূলভাবকে কতটুকু প্রতিফলিত করতে পেরেছে? যৌক্তিক বিশ্লেষণ করো।

